ঢাকাসোমবার , ৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :
ডিসেম্বর ৪, ২০২৩ ৬:৩৮ অপরাহ্ণ । ১৭৮ জন

@ দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার পরও কর্মস্থলে বহাল!

@ ঢাকা আগারগাও প্রধান প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ।
@ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কুমিল্লা অঞ্চল বরাবর লিখিত।

কুমিল্লার দাউদকান্দি এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী আফছার হোসেন খন্দকার এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে লাইসেন্সধারী ঠিকাদারগণ এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, আফছার হোসেন খন্দকার উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে দাউদকান্দি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে এ উপজেলায় উন্নয়ন মূলক কাজের ক্ষতি হচ্ছে। তিনি একজন অদক্ষ ও অযোগ্য লোকও বটে মাঠ পর্যায়ে যোগদানের পর থেকেই তার পক্ষে উপজেলা পরিচালনার অভাব রয়েছে। যোগদান করেই তিনি নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন। অনিয়মিত অফিস করা, সঠিক সময়ে অফিসে অনুপস্থিত, মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার, কোন কাজেই সিদ্ধান্ত না দেয়াসহ নানা অনিয়ম। এ বিষয়ে ঠিকাদারগণ ঢাকা আগারগাও এলজিইডি বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকেও অবহিত করেছেন।

কাজের সাইডে গিয়ে ঠিকাদারকে ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন, যা উন্নয়ণমূলক কাজ সম্পন্ন করতে সমস্যায় পড়তে হয় ঠিকাদারকে। এতে প্রকল্পের ব্যয়, সময় ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার একাধীক ঠিকাদার বলেন, কাজের বিলের ফাইল আটক রেখে উৎকোচ আদায়, কর্মস্থলে গড় হাজির থাকা। স্যার সাইডে গিয়ে কাজের মান যাচাই এবং সিডিউল মতো কাজ দেখে আসবেন কিন্তু তিনি সময় দিতে না পারায় কাজ আটকে থাকে। এরকম একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ পড়ে আছে উপজেলা প্রকৌশলীর অবহেলার কারণে। সে একজন দুর্নীতিবাজ ও যার বিরুদ্ধে এখনো দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা আছে সে কিভাবে এখনো তার কর্মস্থলে বহাল আছে।

অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করে ঠিকাদাররা। উপজেলা প্রকৌশলী আফছার হোসেন খন্দকার কে পরিবর্তন করে একজন দক্ষ উপজেলা প্রকৌশলী পদায়ন করার দাবি জানান ঠিকাদারগন।

এই ব্যাপারে জানতে প্রকৌশলী আফসার হোসেন খন্দকার এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, আমি এ ব্যাপারে অভিযোগ শুনেছি। আমি জেলা প্রশাসক মহোদয় কে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।